বাংলা কিউআর কোডের আড়ালে অন্য কোনো কোড প্রতিস্থাপন করলে তা প্রতারণামূলক বা অননুমোদিত লেনদেন হিসেবে গণ্য হবে। পাশাপাশি গ্রাহকের অনুমতি ছাড়া যেকোনো লেনদেনকেও প্রতারণামূলক হিসেবে ধরা হবে। বাংলা কিউআর কোড নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা নতুন গাইডলাইনে এসব বিষয় সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দেওয়া ওই গাইডলাইনে বলা হয়েছে, কোনো অসাধু চক্র বা ব্যক্তি যদি মার্চেন্টের ছদ্মবেশে বাংলা কিউআর কোডে ভিন্ন কোনো কোড প্রতিস্থাপন করে এবং গ্রাহকের অনুমতি ছাড়া লেনদেন সম্পন্ন হয়, তবে তা সরাসরি প্রতারণামূলক হিসেবে গণ্য করা হবে। এ ধরনের জালিয়াতি রোধে সংশ্লিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
গাইডলাইনে গ্রাহকের যেকোনো বিরোধ বা অভিযোগ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। অভিযোগ পর্যালোচনা ও সমাধানের জন্য ইস্যুয়ার বা অ্যাকোয়ার প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ ৩০ দিন সময় পাবে। আর তদন্ত শেষ হওয়ার পর মাত্র তিন কর্মদিবসের মধ্যেই ভুক্তভোগী গ্রাহকের টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে কোনো যুক্তিসংগত কারণে গ্রাহকের অভিযোগ বা দাবি প্রত্যাখ্যান করা হলে, সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে তা অবশ্যই কেন্দ্রীয় ব্যাংককে জানাতে হবে।
এ ছাড়া জালিয়াতিপূর্ণ ও অননুমোদিত লেনদেনসংক্রান্ত বিরোধের তদন্তের সব নথি ও সহায়ক প্রমাণাদি ইস্যুয়িং এবং অ্যাকোয়ারিং প্রতিষ্ঠানকে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক যখনই এসব নথিপত্র দেখতে চাইবে, তখন তা সরবরাহ করতে বাধ্য থাকবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো।
